Krikya অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং নীতি
মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড
মৌলিক বিধান ও লক্ষ্য
Krikya ক্যাসিনো বাংলাদেশ একটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম, যা কুরাকাও সরকারের লাইসেন্সপ্রাপ্ত। লাইসেন্সের শর্তাবলি অনুসরণ করার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে বিভিন্ন আইনগত ও বিধিগত দায়িত্ব পালন করতে হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো মানি লন্ডারিং, প্রতারণা এবং সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা করা।
এই প্রক্রিয়াগুলো কীভাবে পরিচালিত হবে এবং সেগুলো খেলোয়াড়দের গেমিং অভিজ্ঞতার ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলতে পারে—এ বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে জানাতে Krikya বাংলাদেশ এই অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং (AML) নীতিমালা প্রণয়ন করেছে।
এই নীতিমালার মূল লক্ষ্যসমূহ হলো:
- গেমিং প্ল্যাটফর্মে আর্থিক অপরাধের ঝুঁকি এবং সংশ্লিষ্ট সুনামগত ঝুঁকি হ্রাস ও নিয়ন্ত্রণ করা;
- অপরাধমূলক কাজে গেমিং অ্যাকাউন্টের অপব্যবহার প্রতিরোধ করা;
- কোম্পানি, এর কার্যক্রম ও সুনাম রক্ষা করা;
- মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ সম্পর্কে সচেতন থাকা;
- অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি তৈরি ও কার্যকর করা।
গ্রাহক পরিচয় যাচাই
Krikya বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ভিজিটকারী ও সেবা গ্রহণকারী সকল ব্যবহারকারীর পরিচয় যাচাইয়ের জন্য যুক্তিসংগত ও কার্যকর পদ্ধতি অনুসরণ করে। এই প্রক্রিয়ায় নিচের নিয়মগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
- •রেজিস্ট্রেশনের পর খেলোয়াড়ের অ্যাকাউন্ট বিভিন্ন যাচাই প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হবে;
- •প্রতিষ্ঠানটি নিবন্ধিত সকল খেলোয়াড় ও তাদের ব্যক্তিগত তথ্যের একটি অনলাইন রেকর্ড সংরক্ষণ করবে;
- •Krikya কোনো ধরনের অজ্ঞাতনামা (anonymous) অ্যাকাউন্ট অনুমোদন করে না। তাই প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে ন্যূনতম পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে, যেমন: বয়সের প্রমাণ, পূর্ণ নাম, বসবাসের দেশ ও ঠিকানা, ইমেইল ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড;
- •প্রদত্ত তথ্য নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে, কর্মীরা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে পরিচয়পত্র চাইতে পারে। এক্ষেত্রে পাসপোর্ট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা পরিশোধিত ইউটিলিটি বিল গ্রহণযোগ্য হতে পারে;
- •কোনো খেলোয়াড়ের কার্যক্রম সন্দেহজনক মনে হলে বা অবৈধ কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা দেখা দিলে, সংশ্লিষ্ট কর্মী তা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানাবেন। প্রয়োজন হলে তিনি রিপোর্ট তৈরি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে পারেন;
- •ব্যবহারকারী যদি প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য বা ডকুমেন্ট দিতে অস্বীকৃতি জানান, তবে Krikya বাংলাদেশ তার অ্যাকাউন্ট ব্লক করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
আর্থিক লেনদেন যাচাই
নীতিমালার অংশ হিসেবে Krikya বাংলাদেশ সকল আর্থিক লেনদেন পর্যবেক্ষণ ও যাচাই করে থাকে। এই প্রক্রিয়া কিছু নির্দিষ্ট নীতি ও নিয়মের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়:
- •প্রতিষ্ঠানটি লেনদেনের ইতিহাস পর্যালোচনা করে এবং বড় অংকের লেনদেনের ওপর বিশেষ নজর রাখে;
- •কোনো ব্যবহারকারী বড় অংকের লেনদেন করলে তার সব আর্থিক কার্যক্রম ও ব্যক্তিগত তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হয়;
- •মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসব যাচাই পরিচালনা করেন, রেকর্ড সংরক্ষণ করেন এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন;
- •উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা ব্যাংক ট্রান্সফার বা অসংখ্য ছোট অংকের লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়;
- •Krikya নগদ অর্থ গ্রহণ করে না। ব্যবহারকারীরা ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, ব্যাংক ট্রান্সফার বা ই-ওয়ালেট ব্যবহার করে লেনদেন করতে পারবেন;
- •উইথড্রয়াল বা পেমেন্ট অবশ্যই সেই একই পেমেন্ট মেথডে করা হবে, যেটি ডিপোজিটের সময় ব্যবহৃত হয়েছিল।
গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ
Krikya বাংলাদেশ মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখে। আমরা সকল প্রকার অবৈধ আর্থিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি অনুসরণ করি।
আরও জানতে যোগাযোগ করুন
AML নীতি সম্পর্কে আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে দ্বিধা করবেন না।